জীবন সমস্যার সমাধানে কুরআনী আ’মল

80.00৳ 

Category:

Description

জীবন সমস্যার সমাধানে কুরআনী আ’মল

লেখকঃ আল্লামা ড. ইরফান বিন তোরাব আলী

নিজে নিজে শরিয়তসম্মত রুকইয়া (রুকইয়াহ শারইয়্যাহ) করা ইসলামে বৈধ। অসুস্থতা, দুশ্চিন্তা, বদনজর বা আল্লাহর কাছে শিফা চাওয়ার জন্য কুরআনের আয়াত ও সহিহ দোয়া পড়ে নিজের ওপর ফুঁ দেওয়া নবী ﷺ-এর সুন্নাহ।
ফজিলত ও ভালো দিক:
আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) বৃদ্ধি পায়।
কুরআনের মাধ্যমে শিফা কামনা করা হয়। আল্লাহ বলেন: “আমি কুরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত।” (সূরা আল-ইসরা ১৭:৮২)
নবী ﷺ নিজেও অসুস্থ হলে সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে নিজের ওপর ফুঁ দিতেন। (সহিহ আল-বুখারি, সহিহ মুসলিম)
নিয়মিত যিকির ও কুরআন তিলাওয়াতের অভ্যাস গড়ে ওঠে।
মানসিক প্রশান্তি ও আল্লাহর স্মরণ বৃদ্ধি পায়।
নিয়মিত আমলের জন্য সংক্ষিপ্ত রুকইয়া:
সূরা আল-ফাতিহা – ৭ বার (বা অন্তত ১ বার)
আয়াতুল কুরসি – ১ বার
সূরা আল-ইখলাস – ৩ বার
সূরা আল-ফালাক – ৩ বার
সূরা আন-নাস – ৩ বার
এই দোয়া ৩ বা ৭ বার:
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ حَاسِدٍ، اللَّهُ يَشْفِيكَ.
“বিসমিল্লাহ। আমি আল্লাহর নামে তোমার জন্য রুকইয়া করছি। যে কোনো কষ্টদায়ক বিষয়, হিংসুকের বদনজর ও সব অনিষ্ট থেকে আল্লাহ তোমাকে শিফা দিন।”
সবশেষে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে শরীরের যতটুকু সম্ভব মাসেহ করুন।
গুরুত্বপূর্ণ কথা:
রুকইয়ার প্রভাব আল্লাহর ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল; এটি কোনো নিশ্চিত চিকিৎসার বিকল্প নয়।
অসুস্থ হলে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের চিকিৎসাও গ্রহণ করুন। ইসলামে চিকিৎসা নেওয়া উৎসাহিত করা হয়েছে।
তাবিজ, শিরকপূর্ণ মন্ত্র বা অজানা শব্দ ব্যবহার না করে কেবল কুরআন ও সহিহ দোয়ার মাধ্যমে রুকইয়া করা উচিত।
নিয়মিত সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন যিকিরের সঙ্গে এই আমল করলে তা আরও উপকারী হতে পারে, ইনশাআল্লাহ।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “জীবন সমস্যার সমাধানে কুরআনী আ’মল”

Your email address will not be published. Required fields are marked *